1. mdrahim191420@gmail.com : Tazu Miazi : Tazu Miazi
  2. admin@www.bangladeshbartabd.com : Bangladeshbarta :
কুমিল্লায় হস্তান্তরের আগেই ধসে পড়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নয়টি ঘরের বারান্দা - Bangladesh Barta
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

কুমিল্লায় হস্তান্তরের আগেই ধসে পড়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নয়টি ঘরের বারান্দা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লায় হস্তান্তরের আগেই ধসে পড়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নয়টি ঘরের বারান্দা

কুমিল্লার মুরাদনগরে হস্তান্তরের আগেই ধসে পড়েছে মুজিববর্ষ উপলক্ষে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের নয়টি ঘরের বারান্দার অংশ। এছাড়া ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে আরও কয়েকটি ঘর। এ অবস্থায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। এছাড়া যাদের জন্য ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে, তাদের মধ্যেও ভীতির সঞ্চার হয়েছে। উপজেলার চাপিতলা এলাকায় গত সপ্তাহে ওই নয়টি ঘরের বারান্দার অংশ ধসে পড়ে।

তবে বিষয়টি জানাজানি হয় রোববার (১১ জুলাই)। সেখানে মোট ৩০টি সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে আরও দশটি ঘর নির্মাণ করা হবে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুরাদনগর উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার ৫৬টি ঘর দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ২৫০টি ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পের ঘরগুলো সরকারি খাস জমির উপর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে আছে দুটি কক্ষ, বারান্দা, রান্নাঘর ও টয়লেট। সেমিপাকা এই ঘরগুলোর প্রতিটি তৈরি করতে প্রথম পর্যায়ে খরচ হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে খরচ হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রতিটি পরিবারকে দুই শতাংশ জমিসহ এই ঘর দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার চাপিতলা এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিটি তড়িঘড়ি করে ড্রেজার দিয়ে উত্তোলন করা বালু ফেলে ভরাট করা হয়েছে। বালু জমির চারদিকের মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশেনি। তাই নিচ থেকে বালু সরে যাওয়ায় ঘরগুলোর বারান্দার অংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া নিম্নমানের ইট, রড ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পরিমাণে কম সিমেন্ট ব্যবহার এবং বালু পরিমাণে বেশি ব্যবহার করায় পলেস্তরা খসে পড়ছে। ইটের গাঁথুনি কম থাকায় দেয়ালেও ফাটল ধরেছে। যে কোনো সময় আবারও বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলার চাপিতলা ইউপির চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেন, ড্রেজারের বালু দিয়ে জমি ভরাট করে তড়িঘড়ি করে ঘর নির্মাণের কাজ করায় কয়েকটি ঘরের আংশিক ধসে পড়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ধসে পড়া ঘরের পুনর্নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল হাই বলেন, ঘর ধসে পড়েনি। কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিষেক দাশ বলেন, আমরা এখনো ঘরগুলো সুবিধাভোগীদের বুঝিয়ে দেইনি। মাটি ধসে পড়ার সাথে সাথেই আমরা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। ঘরগুলো বুঝিয়ে দেওয়ার আগে যতবার সংস্কার করা লাগে, ততবার সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত  দৈনিক বাংলাদেশ বার্তা  ২০২০-২১
এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও ব্যবহার বেআইনি

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট